শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৩:১৫ অপরাহ্ন

আপডেট
*** অনলাইন নিউজ পোর্টাল / অনলাইন টেলিভিশন সহ যে কোন ধরনের ওয়েবসাইট তৈরির  জন্য আজই যোগাযোগ করুন  - ০১৬৪৬৯৯০৮৫০।।  ভিজিট করুন - www.popularhostbd.com।।

লক্ষ্মীপুর সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু

লক্ষ্মীপুর সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার অবহেলায় মো. বাবুল হোসেন (৪০) নামের এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি কার্ডিওলোজি সমস্যায় ভুগছিলেন।

কিন্তু ঘটনার সময় হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক (কনসালটেন্ট কার্ডিওলোজি) ভবাণী প্রসাদ রায় উপস্থিত ছিলেন না। তিনি তার ব্যক্তিগত চেম্বার দক্ষিণ তেমুহনী এলাকার শুভ ফার্মেসীতে ছিলেন। তার অনুপস্থিতির কারণেই রোগী মারা যান বলে স্বজনদের অভিযোগ।

সোমবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। এসময় সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অন্য রোগী ও আত্মীয় স্বজনরা ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের অভিযোগ করেন। নিহত বাবুল হোসেন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড সাহাপুর এলাকার কালামিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, ভবানী প্রসাদ তার ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখেন। সেখান থেকে ফোন পেলে (অনকল) রোগী দেখার জন্য সদর হাসপাতাল থেকে চলে যান।

স্বজনরা জানান, বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাহাপুর এলাকার মো. বাবুল হোসেনের বুকে ব্যাথা অনুভব করলে সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক (মেডিসিন) সালাহ উদ্দিনকে দেখালে রোগীর কার্ডিওলোজির সমস্যা ধরা পড়ে। পরে রোগীকে তিনি ভবাণী প্রসাদ রায়ের কাছে প্রেরণ করেন। কিন্তু হাসপাতালে ভবানী প্রসাদ উপস্থিত ছিলেন না। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে অন্যকেউ তার মোবাইলটি রিসিভ করে জানান, স্যারর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।

পরে লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন মোস্তাফা খালেদ আহমেদকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানানো হয়। এর কিছুক্ষণ পর ওই চিকিৎসক হাসপাতাল আসেন। কিন্ত এরআগেই রোগী মারা যান। চিকিৎসার অবহেলায় ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে গনমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ করেন স্বজনরা।

রোগীর মৃত্যুতে স্বজনরা হাসপাতাল এলাকা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন।

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক (ভারপ্রাপ্ত আরএমও) জয়নাল আবেদিন বলেন, রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী রেফার করা হয়েছিল। কিন্তু নোয়াখালী নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান।

জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন মোস্তফা খালেদ আহমদ বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। কোন মৃত্যুই আমাদের কাম্য নয়। ঘটনার সময় দায়িত্বরত চিকিৎসককে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।


Search News




© Daily matrichaya. All rights reserved.
Design BY PopularHostBD