শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন

আপডেট
*** অনলাইন নিউজ পোর্টাল / অনলাইন টেলিভিশন সহ যে কোন ধরনের ওয়েবসাইট তৈরির  জন্য আজই যোগাযোগ করুন  - ০১৬৪৬৯৯০৮৫০।।  ভিজিট করুন - www.popularhostbd.com।।
সংবাদ শিরোনাম :
ফুটবল কিংবদন্তী দিয়েগো মারাদোনার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক লক্ষ্য থাকলে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়: প্রধানমন্ত্রী কালকিনিতে দোয়া মাহফিল ও কেক কাটার মধ্যে দিয়ে তারেক রহমানের ৫৬তম জন্মদিন পালন সাউথ আফ্রিকায় ঠাকুরগাঁওয়ের আব্দুর রহমান সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত  অবশেষে ডাসার থানা কমিটি ঘোষণা-সৈয়দ শাখাওয়াত হোসেন আহ্বায়ক কাজী দোদুল যুগ্ন আহবায়ক এবার চরের বালুতে ভাগ্য বদল করা ‘গোবিন্দগঞ্জে মিষ্টিআলু’ চাষ থমকে গেছে চারার অভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ০৮ জন নিহত ও ০৪ জন আহত।  জামালপুরে নাতির কুকর্মের দায়ে ৮৫ বছর বৃদ্ধের সাথে ১১বছরের শিশুকন্যার বিয়ে গোবিন্দগঞ্জ বিএম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির প্রথম পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরের কালকিনিতে বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু নাজিফা

সিরিজ জেতা হলো না বাংলাদেশের

সিরিজ জেতা হলো না বাংলাদেশের

হঠাৎ তরী ডোবার গল্প কম নয় বাংলাদেশের। ভারতের দেওয়া ১৭৫ রান তাড়া করতে নেমে সেই তরী শুরুতেই কঠিন ঝড়ের মধ্যে পড়ে। কিন্তু ‘নবীন মাঝি’ নাঈম শেখ দলের হাল ধরেন। রবীন্দ্রনাথের সেই গানের মতো, ‘লাগবে তরী কুসুমবনে’ তেমনই আশা দেখান তিনি। কিন্তু সেই আশার তরী হঠাৎ ডুবে যায়! গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মুশফিকুর রহিম এবং আফিফের গোল্ডেন ডাক ব্যর্থ করে দেয় ২০ বছর বয়সী তরুণ নাঈমের ৮১ রানের অসাধারণ ইনিংস। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত হারে ৩০ রানের ব্যবধানে। ভারতের মাটিতে তাই প্রথমবার সিরিজ জয়ের গন্ধ পেয়েও শিরোপা ছোঁয়া হলো না টাইগারদের।

মোমেন্টাম শুধু ব্যাটিংয়ে নয়, বোলিংয়েও পেয়েছিল বাংলাদেশ। শুরুতে টস হেরে ব্যাট করতে নামা ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মাকে তুলে নেয় বাংলাদেশ। সেই ধাক্কা সামাল দেওয়ার আগেই অন্য ওপেনার শেখর ধাওয়ান ফিরে যান। একই ওভারে শূন্য রানে ব্যাট করা শ্রেয়াস আয়ারের ক্যাচ মিস করে বোলিংয়ের মোমেন্টাম হাত ছাড়া করে বাংলাদেশ। সেই শ্রেয়াস আয়ার এবং কেএল রাহুল ৫৯ রানের বড় জুটি গড়ে ম্যাচ বাংলাদেশের হাত থেকে দূরে নিয়ে যান। শ্রেয়াস আয়ার তিন চার এবং পাঁচ ছক্কায় খেলেন ৩৩ বলে ৬২ রানের ইনিংস। তিনে নামা কেএল রাহুলের ব্যাট থেকে আসে ৩৫ বলে ৫২ রান।

জবাব দিতে নামা বাংলাদেশ শুরুতে হারায় লিটন দাস এবং সৌম্য সরকারকে। আগের দুই ম্যাচে ভালো খেলা সৌম্য এ ম্যাচে গোল্ডেন ডাক মারেন। শুরুর ১২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই ধাক্কা নাঈম শেখ এবং মোহাম্মদ মিঠুন সামাল দেন। দু’জনে যোগ করেন ৯৮ রান। মিঠুন ২৮ বলে ২৭ রান করে যখন ফিরে যান দলের রান তখন ১৩ ওভারে ১১০। ইএসপিএনের দেওয়া ম্যাচ প্রেডিকশন অনুযায়ী, বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা ৭৮ ভাগ।

কিন্তু পরের বলেই আউট হয়ে ফিরে যান দলের সেরা ভরসা মুশফিকুর রহিম। দিল্লিতে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে দলকে জেতান তিনি। এবার সিরিজ জয়ে তেমনই কিছু তিনি করবেন সেই আশা দেখছিল বাংলাদেশ। দুর্দান্ত কিছু নয় বরং দলের হালটা ধরে শেষ করার অপেক্ষা ছিল মুশফিকের। কিন্তু তিনিও সৌম্যর মতো গোল্ডেন ডাক মারেন। নাঈম হাসান ৪৮ বলে ১৬৮.৭৮ স্ট্রাইক রেটে দশ চার ও দুই ছক্কায় ৮১ রান করে ফেরেন। দল ১২৬ রানে হারায় ৫ উইকেট। তখনও আশা ছিল দলের। কিন্তু ক্রিজে থাকা মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে মাঠে নামা দলের শেষ ভরসা তরুণ আফিফ হোসেন গোল্ডেন ডাক মারতেই সব শেষ হয়ে যায় দলের।


Search News




©2020 Daily matrichaya. All rights reserved.
Design BY PopularHostBD