সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন

আপডেট
*** অনলাইন নিউজ পোর্টাল / অনলাইন টেলিভিশন সহ যে কোন ধরনের ওয়েবসাইট তৈরির  জন্য আজই যোগাযোগ করুন  - ০১৬৪৬৯৯০৮৫০।।  ভিজিট করুন - www.popularhostbd.com।।

সারা দেশ দেখবে পুলিশ নিজেদের লোকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়: ডিএমপি কমিশনার

সারা দেশ দেখবে পুলিশ নিজেদের লোকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়: ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, কোনো পুলিশ সদস্য যদি মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। সারা দেশের মানুষ দেখবে, পুলিশ নিজেদের লোকের বিরুদ্ধে কী ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নেয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে সিসিটিভি ক্যামেরা প্রতিস্থাপন ও কন্ট্রোলরুম উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। এ সময় ডিএমপি কমিশনার বলেন, কোনো ব্যবসায়ীকে চাঁদা দিতে হবে না, এটি নিশ্চিত করছি ইনশাআল্লাহ। টেন্ডারবাজি হবে না, ভূমি দখল হবে না, মাদকের ব্যবসা থাকবে না। যদি ঢাকা মহানগরের কেউ মাদকের ব্যবসা করে, সে যেই হোক, তার পরিচয় যা-ই হোক, সে যত শক্তিশালী হোক, তাকে ইনশাআল্লাহ মাজায় রশি দিয়ে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব। এটা আপনাদের কাছে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার। মাদক ব্যবসার সঙ্গে যদি কোনো পুলিশ সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে এমন দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করব যে, সারা দেশের মানুষ দেখবে, পুলিশ নিজেদের লোকের বিরুদ্ধে কীভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেয়। পুলিশ পুরো ঢাকা শহরকে সিসিটিভির আওতায় আনার কাজ করছে জানিয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, শহরে অপরাধ দমনে ডিজিটাল মনিটরিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। তাই অপরাধী অপরাধ করে এখন আর বেশি দিন পালিয়ে থাকতে পারে না। ডিএমপি কমিশনার বলেন, জঙ্গিবাদের কোনো স্থান হবে না। যারাই জড়িত থাকবে, জিরো টলারেন্স নীতিতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর এজন্য জনগণের সহায়তা কামনা করেন তিনি। বর্তমান যুগে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে ডিজিটাল মনিটরিং প্রয়োজন। সেলক্ষ্যে রাজধানীর ৮০ লাখ নাগরিকের তথ্য ইতোমধ্যে ‘সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’র (সিআইএমএস) ডাটাবেজে সংরক্ষিত করা হয়েছে বলে জানান ডিএমপির কমিশনার। আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, একটি টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বের উন্নত শহরগুলোর মতো আমরা ঢাকার নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করেছি, আধুনিক তথ্য ডাটাবেজ করেছি, এর নাম ‘সিআইএমএস’। এই মুহূর্তে রাজধানীর ৮০ লাখ নাগরিকের তথ্য রয়েছে আমাদের ডাটাবেজে। যাতে কোনো এলাকায় অপরাধ সংঘটিত হলে ওই এলাকার বসবাসরত লোকদের সহজেই আমরা খুঁজে বের করতে পারি। আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, মহানগরীতে ছিনতাই, ডাকাতি, অজ্ঞান ও মলম পার্টির এসব এখন আর নেই বললেই চলে। তারপরও দু’একটা ঘটনা সংঘটিত হলে আমরা নূন্যতম সময়ের মধ্যে তা চিহ্নিত করে ফেলছি কারণ আমরা এখন প্রযুক্তির ব্যবহার করছি, সিসি টিভির মাধ্যমে পর্যালোচনা করছি। শুধু অপরাধ ও অপরাধের জন্য নয়, ডিজিটাল মনিটরিং দেশের সব ধরনের উন্নয়ন কর্মকা-ের জন্য অবশ্যক মন্তব্য করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আপনারা জানেন গুলশান, বনানী, নিকেতন বারিধারা বিভিন্ন সোসাইটির মাধ্যমে হাজার হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে এলাকাগুলোকে ডিজিটাল মনিটরিংয়ের ভেতর নিয়ে এসেছি, ফলে ওইসব এলাকাগুলোতে অপরাধ একপ্রকার শূন্য। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আফতাবনগর জহুরুল ইসলাম সিটিতে একশ’ সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্বোধন হলো। যা এখানকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা বলতে পারি এই সিসিটিভি স্থাপনের মাধ্যমে এলাকায় টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং জনগণ নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারবে।


Search News




© Daily matrichaya. All rights reserved.
Design BY PopularHostBD